ঢাকা , শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬ , ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র হচ্ছে বগুড়ায় যশোরে যাত্রীবাহী বাসে আগুন ভারত থেকে এলো ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাগেরহাটে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ পদ্মায় ডুবে যাওয়া সেই বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত ট্রাম্পের পিছু হটা কৌশল নাকি বাজারের ভয়? নামতে না পেরে দেড় ঘণ্টা আকাশে চক্কর কাটল মমতাকে বহনকারী বিমান ছিনতাইকালে হাত ফসকে বেরিয়ে যাওয়া গুলিতে প্রাণ গেল আরেক ছিনতাইকারীর নিহত হওয়ার আগে তোলা খামেনির জীবনের শেষ ছবি প্রকাশ করল ইরান শেরপুরে আবাসিক ভবনে ট্যাংক স্থাপন করে ডিজেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা শেরপুরে আবাসিক ভবনে ট্যাংক স্থাপন করে ডিজেল মজুত, ব্যবসায়ীকে জরিমানা সাতসকালে ৬৫৯০ টাকা কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত? এপ্রিলেও আছে লম্বা ছুটির সুযোগ আসছে ‘ফুয়েল কার্ড’, যে সুবিধা পাবেন ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের কথা বললেও মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা পাঠাচ্ছে পেন্টাগন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন ভারতে বাস ও লরির সংঘর্ষে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ১২ স্বাধীনতা দিবসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিনন্দন জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দৌলতদিয়া ঘাটে বাসডুবি - প্রাণহানি বেড়ে ২৫, শনাক্ত ২৩ যাত্রীর পরিচয়

দেশে ৬১ লাখ গাঁজাখোর! জাতীয় গবেষণা প্রতিবেদন

  • আপলোড সময় : ২৬-০১-২০২৬ ০৩:৩৭:৩২ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০১-২০২৬ ০৩:৪৬:৫০ অপরাহ্ন
দেশে ৬১ লাখ গাঁজাখোর!   জাতীয় গবেষণা প্রতিবেদন
দেশে মাদক সেবনকারীর সংখ্যা বর্তমানে আনুমানিক ৮২ লাখে পৌঁছেছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। গাঁজা সেবনকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৬১ লাখ। এছাড়া ইয়াবা, অ্যালকোহল, কফ সিরাপ, হেরোইনসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন চলছে।


বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টস লিমিটেড যৌথভাবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী এই গবেষণাটি সম্পন্ন করেছে। এতে দেশের ৮ বিভাগে ১৩ জেলা ও ২৬ উপজেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে ময়মনসিংহ (৬.০২%), রংপুর (৬.০০%) ও চট্টগ্রাম (৫.৫০%) বিভাগে মাদক ব্যবহারের হার সর্বোচ্চ। ঢাকা বিভাগে সংখ্যার বিচারে সর্বাধিক মাদক ব্যবহারকারী রয়েছে, প্রায় ২২.৯ লাখ।


গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মাদকসেবীদের অধিকাংশই তরুণ। ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮-১৭ বছর বয়সে এবং ৫৯ শতাংশ ১৮-২৫ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ শুরু করেছে। বেকারত্ব, পারিবারিক অস্থিরতা, মানসিক চাপসহ বিভিন্ন সামাজিক কারণে মাদক সেবন বাড়ছে। প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী জানিয়েছে মাদক সহজলভ্য।

গবেষণায় উঠে এসেছে, মাত্র ১৩ শতাংশ মাদকসেবী চিকিৎসা বা পুনর্বাসনের সুযোগ পেয়েছেন। সেবাদানের অভাবে অনেকেই মাদক ত্যাগে ব্যর্থ হচ্ছেন। ৬৯% মাদকসেবী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ এবং ৬২% কাউন্সেলিং সেবা চেয়েছেন।



বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, মাদক সমস্যা শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি জটিল জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সমস্যা। তাই রাজনৈতিক সংকল্প এবং গবেষণার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ জানান, বর্তমানে দেশের মানুষের মধ্যে মাদকাসক্তির ঝুঁকি বেড়েছে। সরকার ইতিমধ্যে ৭ বিভাগে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর অনুমোদন দিয়েছে। পরিবার থেকে শুরু করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদক নির্মূল নিশ্চিত করতে হবে।


গবেষণার ফলাফল দেশের মাদক নীতি প্রণয়ন ও কার্যক্রমের জন্য মূল্যবান তথ্য হিসেবে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
 

কমেন্ট বক্স